ঐক্য শান্তি সঞ্চয় সমৃদ্ধি
বন্ধন
একটি স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন
একটি
স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিসেব ‘বন্ধন’ তার সামাজিক দায়-দায়িত্ব সম্পর্কে ওয়াকবিহাল থাকবে।
সদস্যদের সঞ্চিত অর্থ বিনিয়োগ করে এর লভ্যাংশ থেকে সমাজের গঠন মূলক কাজে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায়
বিনিয়োগের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি দাতব্য কাজ পরিচালনা করবে। পারস্পরিক সহযোগিতার
মাধ্যমে ঐক্য, বন্ধুত্ব, ভ্রাতৃত্ববোধ, শান্তি ও একটি অসাম্প্রদায়িক সমাজ প্রতিষ্ঠা
হবে এ সংগঠনের মূল লক্ষ্য।
অত্র
গঠনতন্ত্রে ‘সংগঠন’ বলতে ‘বন্ধন’কে বোঝানো হয়েছে।
অনুচ্ছেদ-১, সংগঠন
ক)
সংগঠনের নাম হবে- বন্ধন, এর সাথে ‘একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। ইংরেজিতে লেখার ক্ষেত্রে
BONDHON, A voluntary organization.
খ)
সংগঠনের মূলনীতি হবে- ঐক্য, শান্তি, সঞ্চয়, সমৃদ্ধি।
গ) লোগোঃ
গ) লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যঃ
১)
সংগঠনের প্রধান লক্ষ হবে সদস্যদের সঞ্চিত অর্থ থেকে বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে বৈধ এমন
লাভজনক খাতে বিনিয়োগ করা।
২)
সংগঠন কখনোই কোন ধরণের সুদ যুক্ত লেনদেনে অংশগ্রহণ করবে না। করলে গঠণতন্ত্রের চরম অবমাননা
বলে গণ্যহবে।
৩)
বিনিয়োগকৃত অর্থের লভ্যাংশ থেকে প্রতিবছর মানব হিতৈষী কাজ যেমন- বৃক্ষরোপণ, শিক্ষাবৃত্তি,
ত্রাণ কার্যক্রম, জাতীয় দিবস উদযাপন ইত্যাদি কর্মসূচির আয়োজন করবে।
৪)
সংগঠনের সকল সদস্যদের সমঅধিকার ও সকল পর্যায়ে গণতান্ত্রিক চর্চা নিশ্চিত করবে।
৫)
সংগঠনের সদস্যদের আপদকালীন পরিস্থিতি যেমন- দূর্ঘটনা আক্রান্ত হলে, সামাজিক নিগ্রহের
শিকার হলে , সংগঠন তার সর্বোচ্চ শক্তি নিয়ে তার মোকাবেলা করবে। সংগঠনের সকল সদস্য একে
অপরের প্রতি সহযোগী মনোভাবী হবেন। কখনো দ্বন্দ তৈরি হলে বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভাব নিয়ে
তা সমাধানে সচেষ্ট হবেন। বন্ধুত্ব, ভ্রাতৃত্ববোধ, সহযোগিতার মাধ্যমে সমাজে একটি দৃষ্টান্ত
স্থাপন করতে এই সংগঠন অঙ্গীকারাবদ্ধ।
অনুচ্ছেদ-২ কমিটি,
সদস্যপদ ও অন্যান্য
ক) সদস্যপদঃ- সংগঠনের আদর্শ, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের
সাথে একমত এবং প্রাথমিকভাবে সদস্য ফরম পূরণ পূর্বক বাছাইকৃতরাই সদস্যপদ লাভ করবেন।
উল্লেখ্য সদস্য ফরম নিজের ভোটার আইডি কার্ডের ছবি, এক কপি সদ্য তোলা রঙ্গিন ছবি ( ছবির
পেছনে তার স্বাক্ষর ও তারিখ সহ) এবং একই ভাবে নমীনীর তথ্য দিয়ে পূরণ করতে হবে।
খ) সদস্যপদ বাতিলঃ-
১)
যদি কোন সদস্য গঠনতন্ত্র লংঘন করেন অথবা টানা দুই মাস সঞ্চয় জমা দানে ব্যর্থ হন তবে
তাকে সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক যৌথ স্বাক্ষরের চিঠিতে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিবেন।
অভিযুক্ত যদি সন্তোষজনক উত্তর না দিতে পারেন তবে ত্রৈমাসিক সভায় তার সদস্যপদ বাতিল
করা যাবে। এক্ষেত্রে উল্লেখ্য- প্রাকৃতিক দূর্যোগ, দূর্ঘটনা, পরিবারের সদস্যের মৃত্যুজনিত
ঘটনা ঘটলে এ নিয়ম কার্যকর হবে না। সংগঠন গঠনের প্রথম বছরের মধ্যে সদস্যপদ বাতিল হলে
সেই সদস্য শুধুমাত্র তার জমাকৃত অর্থ ফেরত পাবেন। অন্যথায় সদস্য তার লাভ সহ ফেরত নিতে
পারবেন। সদস্যপদ বাতিল হওয়ার সর্বোচ্চ ৩০ কর্ম দিবসের মধ্যে তার জমা টাকা ব্যাংক চেক
ও প্রাপ্তি রসিদ এর মাধ্যমে ফেরত দিতে কমিটি বাধ্য থাকবে।
২)
বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে যদি কেউ দোষী সাব্যস্ত হয় তবে তার সদস্যপদ স্থগিত থাকবে। তবে
যদি কেউ ধর্ষণ, দুর্নীতি, জঙ্গিততপরতা ও রাষ্ট্রদ্রোহী কাজে শামিল থাকে তবে কমিটি যথাযথ
কর্তৃপক্ষের ( অভিযোগ ও পরামর্শ ইউনিট) সুপারিশে তার সদস্যপদ বাতিল করবে।
৩)
সদস্যপদ বাতিলের ক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যাক্তির আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিতে হবে।
৪)
সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে এমন কোন লেখা, ছবি, ভিডিও, অডিও বা যে কোন কন্টেন্ট
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করলে উপরোক্ত শাস্তি প্রযোজ্য হবে।
গ) কমিটি গঠণঃ-
১)
সংগঠনের সকল সদস্যই কমিটির সাধারণ সদস্য হিসেবে বিবেচিত হবেন।
২)
সাধারণ সদস্যের প্রত্যক্ষ/পরোক্ষ ভোটে কমিটির কর্মকর্তা নির্বাচিত হবেন।
৩)
যদি কোন কারণে কমিটি বিলুপ্ত হয়ে যায় তবে জরুরি সভা আহবান করে করে অন্তর্বতীকালীন আহবায়ক
কমিটি ( ১ জন আহবায়ক, ২ জন যুগ্ম আহবায়ক, ও ৩ জন সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত) গঠন করতে হবে।
এই কমিটির কাজ হবে অনধিক ৩০ কর্ম দিবসের মধ্যে নতুন পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা।
৪)
কমিটির মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ ১ বছর। বছরের প্রথম সাধারণ সভায় নতুন কমিটি গঠিত হবে এবং
একই কমিটি সর্বোচ্চ তিন বার দায়িত্বে থাকতে পারবে।
ঘ) কর্মকর্তাদের
দায় দায়িত্বঃ-
১) সভাপতিঃ-
১.১)
সভাপতি সংগঠনের প্রধান হিসেবে বিবেচিত হবেন।
১.২)
সংগঠনের সকল আয়-ব্যায় রসিদ, যাবতীয় দলিল-দস্তাবেজ যাচাই ও অনুমোদন করবেন। সভার সভাপতিত্ব করবেন। সংগঠনের সকল
কাজে অংশগ্রহন করবেন, প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দিবেন। গঠনতন্ত্রের অনুমোদন করবেন।
১.৩)
তিনি সংগঠনের লক্ষ্য ঠিক করবেন এবং সে অনুযায়ী
এগিয়ে নিয়ে যাবেন। অন্যান্য সংগঠন, সরকারী-বেসরকারী, জাতীয়-আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যোগাযোগ
রক্ষা করবেন। সংগঠনের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করবেন।
২) সহ-সভাপতিঃ-
২.১)
সভাপতির অনুপস্থিতিতে অথবা সভাপতি অভিযুক্ত হলে তিনি সভাপতির যাবতীয় দায়িত্ব পালন করবেন।
৩) সম্পাদকঃ-
৩.১)
তিনি সংগঠন পরিচালনা করবেন।
৩.২)
আয়-ব্যায়ের হিসাব, অন্যান্য দলিল-দস্তাবেজ যাচাই ও অনুমোদন করবেন। সভাপতির নির্দেশে
সভা পরিচালনা করবেন। সংগঠনের স্বার্থে সভাপতির সাথে পরামর্শক্রমে সংগঠনকে এগিয়ে নিয়ে
যাবেন। গঠনতন্ত্রের অনুমোদন করবেন। সভার রেজুলেশন লিখবেন। সদস্যদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ
রক্ষা করবেন।
৪) সহ-সাধারণ সম্পাদকঃ-
৪.১)
সাধারণ সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে তিনি সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করবেন।
৫) কোষাধক্ষ্যঃ-
৫.১)
সংগঠনের যাবতীয় আয়-ব্যায়ের দায়িত্বে থাকবেন। সংগঠনের তহবিল সামলাবেন। সংগঠনের যাবতীয়
অর্থ সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি দায়িত্বশীল হবেন।
৬.২)
ব্যাংকে টাকা জমা-উত্তোলন করবেন। রসিদ সংরক্ষণ করবেন। যাবতীয় আয়-ব্যায়ের হিসাব, অর্থ
প্রতিবেদন, সদস্য সঞ্চয় কার্ড তিনি তৈরি করবেন ও হালনাগাদ করবেন।
৭.৩)
সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশে তিনি সংগঠন সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কাজ করবেন।
৮) দপ্তর সম্পাদকঃ-
৮.১)
সংগঠনের অফিসিয়াল সমস্ত কাজের দায়িত্বে থাকবেন।
৮.২)
সংগঠনের দলিল-দস্তাবেজ সংরক্ষণ করবেন। বার্তা/রিপোর্ট প্রেরণ করবেন।
৮.৩)
সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশে দপ্তর সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কাজ করবেন।
৯) সমাজসেবা সম্পাদকঃ-
৯.১)
সমাজ সেবা মূলক কাজ, গবেষণা, উপকার ভোগী তৈরি, জাতীয় দিবস উদযাপন ইত্যাদি কাজের দায়িত্বে থাকবেন।
৯.২)
সভাপতি সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশে সমাজ সেবা বিষয়ক অন্যান্য কাজ পরিচালনা করবেন।
১০) প্রচার সম্পাদকঃ
১০.১)
সংগঠনের যাবতীয় প্রচার-প্রকাশনার কাজের জন্য দায়িত্ব প্রাপ্ত হবেন।
ঙ) অনাস্থা প্রস্তাবঃ-
যে
কোন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযোগ ও পরামর্শ ইউনিট এর
অনুমোদন সাপেক্ষে অনাস্থা প্রস্তাব আনা যাবে। সদস্যদের দুই তৃতীয়াংশ ভোটের মাধ্যমে
অনাস্থা প্রস্তাব কার্যকর হবে।
চ)
কমিটির কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হলে অথবা গঠণতন্ত্র
পরিপন্থি কোন আচরণ করলে অথবা বাংলাদেশ সরকারের প্রচলিত ফৌজদারি আইনে অপরাধি প্রমাণিত
হলে অথবা দেশত্যাগী, কারাবরণ বা এলাকাত্যাগী হলে কমিটির কর্মকর্তা পরিবর্তন করা যাবে।
প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সদস্যপদ বাতিল সংক্রান্ত ধারা কার্যকর হবে। কমিটি বিলোপের প্রশ্নে
সরাসরি ভোটের আয়োজন করতে হবে।
অনুচ্ছেদ-৪, অর্থঃ-
ক)
সর্বসম্মতিক্রমে নির্ধারিত মাসিক হারে প্রত্যেক সদস্য সঞ্চয় জমা করবেন। টানা দুই বার
কোন সদস্য সঞ্চয় জমা দানে ব্যর্থ হলে তার ক্ষেত্রে সদস্যবাতিল সংক্রান্ত ধারা কার্যকর
হবে।
খ)
সংগঠনের অর্থ সংক্রান্ত যাবতীয় ব্যাপারে কোষাধক্ষ্য দায়িত্বশীল থাকবেন।
গ)
কোন সদস্য যে কোন কারণে সদস্যপদ হারালে বা সংগঠন থেকে চলে যেতে চাইলে তার ক্ষেত্রে
সদস্যপদ বাতিল সংক্রান্ত ধারা কার্যকর হবে।
ঘ)
কোন সদস্য মারা গেলে তার ক্ষেত্রে নমীনীর হাতে অনধিক ৩০ কর্ম দিবসের মধ্যে লভ্যাংশ
সহ তার সুমদয় অর্থ ব্যাংক চেক ও প্রাপ্তি রসিদের মধ্যে ফেরত দিতে কমিটি বাধ্য থাকবে।
ঙ) কোন সদস্য দূর্ঘটনা বা দূর্যোগ আক্রান্ত হলে অথবা মারা গেলে ত্রৈমাসিক সভায় অনুমোদন
সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় সাহায্য করতে হবে।
চ)
সরকার অনুমোদিত বৈধ লাভজনক ক্ষেত্রে ত্রৈমাসিক সভায় অনুমোদন সাপেক্ষে সংগঠনের সঞ্চয়
বিনিয়োগ করতে হবে।
ছ) সংগঠনের নামে একটি ব্যাংক একাউন্ট খোলা হবে। সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, কোষাধক্ষ্য এই তিনজনের যে কোন দুই জনের স্বাক্ষরে ব্যাংক একাউন্ট পরিচালিত হবে। এ ক্ষেত্রে ব্যাংকের নিয়ম মেনে চললেই হবে।
অনুচ্ছেদ ৫, কার্যাবলীঃ-
ক)
প্রতি তিন মাস অন্তর একটি ত্রৈমাসিক সভার আয়োজন করতে হবে। সভায় কমপক্ষে তিন চতুর্থাংশ
সদস্যের উপস্থিত থাকতে হবে। অন্যথায় সভা অবৈধ বলে গণ্য হবে। প্রয়োজনে রেকর্ড করা যায়
এমন এপস ব্যাবহার করে ভার্চুয়াল সভার আয়োজন করা যেতে পারে। সভায় নিয়মিত আয়-ব্যায় এবং
অন্যান্য জরুরি বিষয়ে আলোচনা করা হবে। সভায় উপস্থিত সদস্যদের ভিতর থেকে আলোচ্যসূচি
নির্ধারণ করা যেতে পারে। প্রয়োজনে জরুরি সভা ডাকা যেতে পারে।
খ)
জাতীয় দিবস, ত্রাণ বা অন্যান্য সামাজিক কার্যাবলী আয়োজনের ব্যাপারে কমিটির সিদ্ধান্তই
চূড়ান্ত।
গ)
কোন সদস্য আহত হলে অথবা তার পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হলে অথবা মারা গেলে কমিটি যত দ্রুত
সম্ভব তার পাশে দাঁড়াবে এবং জরুরি সভায় অনুমোদন সাপেক্ষে তাকে যথাযথ সাহায্য করবেন।
অনুচ্ছেদ-৬, অভিযোগ
ও পরামর্শ ইউনিটঃ
ক)
সংগঠনের অগ্রগতির স্বার্থে একটি অভিযোগ ও পরামর্শ ইউনিট গঠন করতে হবে।
খ)
এ ইউনিট ত্রৈমাসিক সভায় তাদের কাছে প্রস্তাবিত পরামর্শগুলো যাচাই বাছাই করবেন। অভিযোগের
ক্ষেত্রে প্রভাবমুক্ত হয়ে স্বাধীনভাবে তদন্ত করবেন। অভিযুক্ত যেই হোক না কেনো- অভিযোগ
প্রমাণিত হলে ত্রৈমাসিক সভায় অনুমোদন সাপেক্ষে সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকের কাছে প্রয়োজনীর
সুপারিশ করবেন।
গ)
কোন সদস্য আর্থিক জালিয়াতি করলে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারী আইনে মামলা অথবা সালিশ অথবা ত্রৈমাসিক
সভায় অনুমোদন সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।
অনুচ্ছেদ- ৭, গঠনতন্ত্র
সংশোধনঃ
গঠনতন্ত্রের কোন ধারা, উপধারা পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংযোজন কিংবা সংশোধন বা বাতিল ইত্যাদির প্রয়োজন হলে সাধারণ সভায় ৩/৪ সদস্য প্রত্যক্ষ/পরোক্ষ ভোটের মাধমে সম্মিলিতভাবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।
অনুচ্ছেদ-৮, শপথ
এই শপথ সংগঠনের সকল সদস্যদের জন্য প্রযোজ্য।
আমি বন্ধন এর সদস্য/-----------পদে নিযুক্ত হয়েছি। আমি এই সামাজিক সংগঠনের লক্ষ্য উদ্দেশ্যের সঙ্গে সম্পূণরুপে একমতপোষণ করছি। বন্ধন যে সামাজিক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে তাতে আমি সম্ভাব্য সকল প্রকার সহযোগিতা করব। এই সংগঠনের বিধিমালা যথাযথভাবে মেনে চলব। সর্বোপরি সামাজিক উন্নয়ন কর্মকান্ডে বেগবান করার জন্য নিজেকে সচেষ্ট রাখবো এবং আমার অর্পিত দায়িত্ব স্বচ্ছতার সঙ্গে পালন করবো। হে মহান স্রষ্টা আমাকে সেই শক্তি দিন।
_______
স্বাক্ষর
গঠনন্ত্রটি পিডিএফ ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুনঃ
No comments:
Post a Comment